নর্থ মেসিডোনিয়া ভিসা
যেহেতু নর্থ ম্যাসেডোনিয়ার কোন ভিসা অফিস বাংলাদেশে নেই, তাই নর্থ ম্যাসেডোনিয়ার সকল ভিসা ভারতের নিউ দিল্লি থেকে প্রসেস করতে হবে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
আমাদের অফিসে ফাইল নিয়ে আসার আগে অবশ্যই আপনার ইনভাইটার নর্থ ম্যাসেডোনিয়া দূতাবাস, নয়াদিল্লি, ভারত (Embassy-এর অফিসিয়াল যোগাযোগের তথ্য Google-এ সার্চ করে খুঁজে নিন)-এর সঙ্গে যোগাযোগ করে আপনার ভিজিটের কারণ সম্পর্কে জানাবেন এবং অনুরোধ করবেন যে আপনার ভিসা ফাইলটি একজন এজেন্টের মাধ্যমে Embassy-তে জমা দেওয়া যায়।
Embassy থেকে পাওয়া Confirmation-এ অবশ্যই আবেদনকারীর নাম এবং Passport Number উল্লেখ থাকতে হবে।
এজেন্টের মাধ্যমে ফাইল জমা দেওয়ার অনুমতির প্রমাণ অবশ্যই আমাদের দিতে হবে। অনুমতি না থাকলে আপনাকে নিজে নয়াদিল্লি, ভারতে অবস্থিত Embassy-তে উপস্থিত হয়ে ভিসার ফাইল জমা দিতে হবে।
মনে রাখবেন: এই অনুমতি আমরা আপনার জন্য সংগ্রহ বা ব্যবস্থা করে দিই না । তাই Embassy থেকে অনুমতি সংগ্রহ করে দেওয়ার জন্য আমাদের অনুরোধ করবেন না।
এছাড়াও, আমরা নর্থ ম্যাসেডোনিয়া-এর কোনো ধরনের Work Permit বা Invitation Letter সংগ্রহ, ব্যবস্থা বা সংগ্রহে সহায়তা করি না। আপনার ক্ষেত্রে Work Permit বা Invitation প্রয়োজন হলে তা আপনাকেই নিজ দায়িত্বে সংগ্রহ করতে হবে। Work Permit বা Invitation সংগ্রহের জন্য আমাদের অনুরোধ করবেন না।
উপরের শর্তগুলো পূরণ হওয়ার পর এবং নিচে উল্লেখিত প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টগুলো আপনার কাছে থাকলেই কেবল ভিসা ফাইল জমা দেওয়ার সহায়তার জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
স্টিকার ভিসা টিম বাংলাদেশ থেকেই আপনার নর্থ ম্যাসেডোনিয়া ভিসার সকল সাপোর্ট দিবে। আপনার পাসপোর্ট এবং অন্যান্য সকল ডকুমেন্টস আপনি আমাদের ঢাকার মিরপুর অফিসে জমা দিলে আমরা তা নিউ দিল্লিতে ম্যাসেডোনিয়া প্রজাতন্ত্র দূতাবাসে পাঠিয়ে দিব।
সাধারণ ডকুমেন্টস
১. সকল অরিজিনাল পাসপোর্ট।
২. দুইটি পাসপোর্ট সাইজ ছবি (৩৫মিমি *৪৫মিমি, ফেস জুম ৭০-৮০% হবে; সাদা/হালকা ব্যাকগ্রাউন্ড)।
৩. কভারিং লেটারঃ অ্যাপ্লিকেন্টের নাম,পেশা,ভ্রমণের উদ্দেশ্য,পাসপোর্ট নাম্বার,ভ্রমণের খরচাদি কে বহন করবে ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। আবেদনকারীর ফোন নাম্বার,ইমেইল আইডি এবং স্বাক্ষর সহ ভিসা অফিসার , মেক্সিকো দূতাবাস , নিউ দিল্লি বরাবর লিখতে হবে।
৪. ইনভাইটেশন লেটারঃ আমন্ত্রিত ব্যক্তির নাম,থাকার জায়গা, উদ্দেশ্য এবং ম্যাসেডোনিয়ার স্পষ্ট ঠিকানার বিবরণীসহ ব্যবসা/কোম্পানী থেকে ইনভাইটেশন লেটার। লেটারটি ম্যাসেডোনিয়ার ভাষায় লিখতে হবে।
৫. অরিজিনাল ট্রাভেল ইন্স্যুরেন্স।
৬. ফরোয়ার্ডিং লেটার/NOCঃ আবেদনকারীর কোম্পানি কর্তৃক প্রদত্ত লেটার যেখানে আবেদনকারীর নাম,পেশা,পাসপোর্ট নং ইত্যাদি উল্লেখ থাকবে এবং কোম্পানি যদি খরচ বহন করে তাও উল্লেখ থাকবে। লেটারটি ম্যাসেডোনিয়া দূতাবাস, নিউ দিল্লি বরাবর লিখতে হবে।
৭. ট্রেড লাইসেন্স : ইংরেজি বা প্রতিষ্ঠানের অনুবাদিত নোটারাইজড সংস্করণ।
৮. এয়ার টিকেট এবং হোটেল বুকিং কপি।
৯. আবেদনকারীর এবং কোম্পানির গত ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট, TIN, সাম্প্রতিক ট্যাক্স সার্টিফিকেট, ট্যাক্স রিটার্ন কপি (যদি থাকে)।
১০. নিয়োগকর্তা থেকে ৬ মাসের বেতন বিবরণী/পে স্লিপ।
১১. বিবাহের সার্টিফিকেট ( যদি থাকে )।
১২. সন্তানদের বার্থ সার্টিফিকেট ( যদি থাকে )।
১৩. পূর্ববর্তী ভিসা রিফিউজাল ( যদি থাকে )।
সমস্ত ডকুমেন্টস শুধুমাত্র ইংরেজিতে হবে। যদি কোন ডকুমেন্টস বাংলায় হয়ে থাকে তাহলে তা ইংরেজিতে অনুবাদ করে নোটারাইজ করতে হবে।
ভিসা ফি এবং চার্জ
ভিসার ধরণ এবং ক্যাটাগরি অনুযায়ী ভিসা ফি এবং চার্জ ধার্য হয়। আপনি কোন ক্যাটাগরিতে যেতে চাচ্ছেন তা আমাদের জানালে আমরা সেই সময়ের প্রযোজ্য চার্জ আপনাকে জানিয়ে দিব।
ভিসা প্রসেসিং সময়
ভিসা প্রসেসিং সময় সাধারণত ভিসা বিভাগ এবং আবেদনকারীর প্রোফাইলের উপর নির্ভর করে। সাধারণত ২-৪ সপ্তাহ সময় প্রয়োজন হয়।
আমাদের সাথে কাজ শুরু করার জন্য আপনাকে অবশ্যই আমাদের রেজিষ্টার্ড ক্লায়েন্ট হতে হবে। শুধুমাত্র অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য ০১৮৪১১২০১৪৪ নাম্বারে যোগাযোগ করুন অথবা আপনার সকল প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস নিয়ে আমাদের ঢাকার মিরপুর ডিওএইচএস অফিসে যোগাযোগ করুন।
ম্যাসেডোনিয়া ভিসা প্রসেসিং করুন বাংলাদেশ থেকে