আয়ারল্যান্ড ভিসা
আয়ারল্যান্ডের দূতাবাস নিউদিল্লিতে হওয়ার কারণে সমস্ত বাংলাদেশিদের নিউদিল্লি থেকে এই ভিসা সম্পন্ন করতে হবে। স্টিকার ভিসা টিম বাংলাদেশিদের জন্য বাংলাদেশ থেকে আইরিশ ভিসার সমাধান দেয়। এছাড়া আয়ারল্যান্ডে পড়তে আগ্রহীরা ভর্তি থেকে শুরু করে স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়া পর্যন্ত সব ধরনের সহায়তা পেতে পারে আমাদের মাধ্যমে।
আয়ারল্যান্ড ভিসা অফিস কোথায়
আয়ারল্যান্ড ভিসা আবেদন প্রসেস
আইরিশ ভিসার জন্য INIS থেকে অনলাইন ভিসা আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে। এটি পূরণ হলে অনলাইন এপ্লিকেশন সিস্টেম দিয়ে তৈরি একটি সারসংক্ষেপ এপ্লিকেশন শিট পাওয়া যাবে যা পাসপোর্ট এবং অন্যান্য সহায়ক ডকুমেন্টস সহ জমা দিতে হবে।
আয়ারল্যান্ড যেতে কি কি ডকুমেন্টস প্রয়োজন
আয়ারল্যান্ড ভিসা ক্যাটাগরি
১.শর্ট স্টে ভিসা (৯০ দিনের কম)
২.লং স্টে ভিসা (৯০ দিনের বেশি)
৩.স্টুডেন্ট ভিসা
সকল ভিসা ক্যাটাগরি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।
আপনার পূর্বের ভিসা যদি রিফিউজ হয়ে থাকে তাহলে স্টিকার ভিসা’র মাধ্যমে আপিল করুন। বিস্তারিত প্রক্রিয়া জানতে এখানে ক্লিক করুন।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট
১. অরিজিনাল পাসপোর্ট ।
২. অনলাইন ভিসা ফর্ম সামারি পেজ ।
৩.২টি সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজ ছবি (৩৫মিমি*৪৫মিমি,সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড,বর্ডার ছাড়া,৮০%ফেস কভারেজ )
৪. কভারিং লেটার : অ্যাপ্লিকেন্টের নাম,পেশা,ভ্রমণের উদ্দেশ্য,পাসপোর্ট নাম্বার,ভ্রমণের খরচাদি কে বহন করবে ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। আবেদনকারীর ফোন নাম্বার,ইমেইল আইডি এবং স্বাক্ষর সহ ভিসা অফিসার ,আয়ারল্যান্ড দূতাবাস ,নতুন দিল্লি বরাবর লিখতে হবে।
৫. অরিজিনাল ইনভাইটেশন লেটার: আইরিশ হোস্ট বা ইনভাইটিং কোম্পানি থেকে প্রদত্ত লেটার যেখানে হোস্টের বিশদ বিবরণ উল্লেখ থাকবে।
৬. ফরওয়ার্ডিং লেটার/NOC : আবেদনকারীর কোম্পানি কর্তৃক প্রদত্ত লেটার যেখানে আবেদনকারীর নাম,পেশা,পাসপোর্ট নং ইত্যাদি উল্লেখ থাকবে এবং কোম্পানি যদি খরচ বহন করে তাও উল্লেখ থাকবে।
৭. ট্রেড লাইসেন্স : ইংরেজি বা প্রতিষ্ঠানের অনুবাদিত নোটারাইজড সংস্করণ।
৮. টিকেট এবং হোটেল বুকিং কপি। আমন্ত্রণকারীর বাসায় থাকলে সেই বাসার ইউটিলিটি বিল কপি।
৯. আবেদনকারীর এবং কোম্পানির গত ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট,পে স্লিপ,সাম্প্রতিক ট্যাক্স সার্টিফিকেট,ট্যাক্স রিটার্ন কপি (যদি থাকে)।
১০. ম্যারেজ সার্টিফিকেট (যদি থাকে)।
১১. সন্তানদের বার্থ সার্টিফিকেট।
১২. পূর্ববর্তী ভিসা রিফিউসাল (যদি থাকে)।
আয়ারল্যান্ডে কাজের ভিসা খরচ
সমস্ত ডকুমেন্টস শুধুমাত্র ইংরেজিতে হবে। যদি কোন ডকুমেন্টস বাংলায় হয়ে থাকে তাহলে তা ইংরেজিতে অনুবাদ করে নোটারাইজ করতে হবে।
ভিসা ফি এবং চার্জ
ভিসার ধরণ এবং শ্রেণী অনুযায়ী ফি প্রযোজ্য। সঠিক ফি এবং চার্জ জানতে আমাদের টিমের সাথে যোগাযোগ করুন।
ভিসা প্রসেসিং সময়
ভিসা অফিসে আবেদনের পরিমাণ এবং অন্যান্য বিষয়ের উপর নির্ভর করে জমা দেয়ার তারিখ থেকে আনুমানিক ৩ সপ্তাহ থেকে ১২ সপ্তাহ লাগতে পারে।যেহেতু ভিসা নয়া দিল্লি থেকে করানো হয় তাই উক্ত সময়ের সাথে আরও ১ সপ্তাহ যোগ করুন।
স্টাডি ভিসা
IELTS ছাড়াও এখন DUOLINGO দিয়ে আয়ারল্যান্ডের স্টাডি ভিসার আবেদন করা যায়। পিএইচডি/গবেষণার ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম গ্রহণযোগ্য।
স্টাডি ভিসার জন্য ডকুমেন্টস
১.অরিজিনাল পাসপোর্ট এবং ছবি
২.IELTS/DUOLINGO সার্টিফিকেট
৩.সমস্ত মূল একাডেমিক সার্টিফিকেট এবং পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট
৪.মেডিক্যাল ইন্সুরেন্স এবং আর্থিক ও স্পনসরশিপ ডকুমেন্টস
আমাদের মাধ্যমে আয়ারল্যান্ডের ভিসা প্রসেসিং করা খুবই সহজ। ঢাকায় শুধুমাত্র স্টিকার ভিসা দিচ্ছে ভর্তি ও ভিসার সম্পূর্ণ সমাধান। সমস্ত ভিসার আবেদন আমাদের লজিস্টিক চেইনের মাধ্যমে নিউদিল্লিতে আয়ারল্যান্ডের দূতাবাস দ্বারা প্রক্রিয়া করা হয়। এছাড়াও আরও বিস্তারিত জানার জন্য অথবা যেকোন সমস্যার সমাধানে ০১৮৪১১২০১০০ বা ০১৮৪১১২০১৫৫ নাম্বারে যোগাযোগ করুন অথবা অ্যাপয়েন্টমেন্টসহ আমাদের ঢাকার মিরপুর অফিসে যোগাযোগ করুন।
আয়ারল্যান্ড ভিসা প্রসেসিং